শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন কতটা বাস্তবসম্মত? বিশ্লেষকদের চোখে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা
What's Your Reaction?
Or register with email
Join our subscribers list to get the latest news, updates and special offers directly in your inbox
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina-র দেশে ফেরা এবং Bangladesh Awami League-এর রাজনৈতিক পুনরুত্থান নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা থাকলেও বর্তমান বাস্তবতায় সেই সম্ভাবনাকে খুবই সীমিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষক ও জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদরা।
তাদের মতে, দেশে ফিরলে শেখ হাসিনাকে প্রথমেই আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হতে হবে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে তাদের দীর্ঘ শাসনামলের কর্মকাণ্ড নিয়ে জনগণের কাছে জবাবদিহি করা। ফলে তার প্রত্যাবর্তন ঘিরে যে গুঞ্জন রয়েছে, সেটিকে অনেকেই রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ হিসেবেই দেখছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman-এর নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারের মাত্র চার মাস পার হয়েছে। এই স্বল্প সময়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে জনগণের মধ্যে বড় ধরনের অসন্তোষ তৈরি হয়নি। পাশাপাশি গণ-অভ্যুত্থানপন্থী রাজনৈতিক শক্তিগুলোও এখনো শেখ হাসিনার বিরোধিতার প্রশ্নে একতাবদ্ধ অবস্থানে রয়েছে।
সিপিবির সাবেক সভাপতি Mujahidul Islam Selim মনে করেন, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের চেয়ে দেশের অপরাধ, দুর্নীতি, অর্থ পাচার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের অভিযোগগুলোর বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই এখন বেশি জরুরি। তার ভাষায়, ব্যক্তি যেই হোন না কেন, অপরাধ করলে তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের লক্ষ্য কখনোই নতুন করে আরেক ধরনের কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠা হতে পারে না। জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক কাঠামো রক্ষা করাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফিরে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আলোচনা মূলত দেশের বাইরের কিছু মহল, সীমান্তের ওপারের মিডিয়া এবং আওয়ামী লীগের অবস্থানরত নেতাকর্মীদের মধ্যেই বেশি দেখা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, Mahmudur Rahman Manna মনে করেন, আওয়ামী লীগের মতো বড় রাজনৈতিক শক্তি পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাবে—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। তবে দলটি যদি অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আত্মসমালোচনা করে নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে জনগণের সামনে আসতে পারত, তাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক রুকন উদ্দিনের মতে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে তিনি বা তার দল ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন কিনা।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তরুণ প্রজন্ম এখনো সক্রিয় রয়েছে এবং আওয়ামী লীগবিরোধী জনমতও এখনো দৃশ্যমান। তাই শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা অনেকাংশে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।
বিশ্লেষকদের অভিমত, আওয়ামী লীগের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো গত সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলের নানা বিতর্ক, সিদ্ধান্ত ও ঘটনাবলীর ব্যাখ্যা জনগণের সামনে তুলে ধরা। এই জবাবদিহি ছাড়া দলটির রাজনৈতিক পুনর্বাসন সহজ হবে না বলেই মনে করছেন তারা।
admin Oct 8, 2025 0 373
admin Oct 8, 2025 0 197
admin Mar 31, 2026 0 68
admin Mar 31, 2026 0 66
admin May 18, 2026 0 31
admin Oct 8, 2025 0 373
admin Oct 8, 2025 0 197
admin Jul 27, 2025 0 67
admin Jul 27, 2025 0 73
admin Jul 27, 2025 0 77